আমাদের পরিবার মুটামুটি বেশ বড়. আমার ছয় চাচা, তিন ফুপু, পাচ মামা ও চার খালা. তাহলে আমার কাসিন কতজন হতে পারে বুঝতেই পারছেন. এবং আমাদের পরিবারে মধ্যে আমরা খুব গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে আছি. আমার বাবা ভাই দের মধ্যে সবচেয়ে বড়. আর আমার মা বন দের মধ্যে সবচেয়ে বড়. তাছাড়া অর্থনৈতিক, সামাজিক ভাবেও আমরা আমাদের পুরো পরিবারের মধ্যে মুটামুটি ভালো অবস্থানে আছি. আমার বাবা চকবাজারের বেব্সায়ী. আমাদের বাসাটা পাচ তলা. আমরা পরিবারের অন্য সবার চেয়ে আর্থিক দিক থেকে খুব খারাপ না. যদিও মামাদের সাথে আমাদের তুলনা দিচ্ছিনা. তারা আবার আমাদের চেয়ে একটু হাই লেভেল এ. আর সামাজিক ভাবে বলতে গেলে আমার বোনদের ভালো জায়গায় বিয়ে হয়েছে. আমি পড়াশোনা করছি ইস্ট-ওয়েস্ট উনিভার্সিটি তে.
যাই হোক, আমরা পরিবারের সবার প্রয়োজনে পাশে থাকি. যখন কারো টাকা পয়সার দরকার হয় আমার আব্বুর কাছে আসে. আব্বু কাউকেই খালি হাতে ফিরান না. এই জন্য সবাই আমাদের খুব সমীহ করে. আর আমাদের বাসাটা ঢাকা শহরের সুন্দর একটি জায়গায় হওয়ায় আমাদের বাসায় সব সময় ই মেহমানের আশা যাওয়া থাকত.
একদিন আমদের বাসায় এলো এক ফুপু. আমার ঠিক আপন ফুপু না. দূর সম্পর্কের ফুপু. সেই ফুপু থাকে গ্রামের বাড়িতে. এখানে তার মেয়েকে পরাতে চান. তার মেয়ে এবার .......পাশ করেছে. ঢাকা উনিভার্সিটি তে ভর্তি পরিখা দিবে. এই কারণে আমাদের বাসায় আসছেন. আমাদের বাসায় কিছুদিন তারা থাকবেন. তার মেয়ে ক একটা কোচিং এ ভর্তি করেছেন. আমি সেদিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই দোউর দিয়ে ভার্সিটি তে চলে গিয়েছিলাম তাই আর তাদের সাথে দেখা হয়নি. আমি বাসায় ঢোকার সময় দেখি আমাদের বসার ঘরে একটা মেয়ে বসে আছে. এক নজর দেখেই আমার মাথা টা যেন ঘুরিয়ে গেল. এত জটিল মেয়ে আমি খুব কম দেখেছি. মেয়েটার চেহারা খুব সুন্দর, কিন্তু আমার মাথা ঘরাছিল মেয়েটার বুক দেখে. বিশাল বিশাল দুইটা দুদু পাতলা একটা ব্রা পরে আরো উচু হয়ে আছে. আর তার চাহনি যেন আমার ভেতরের সবকিছু শুষে নিছে. আমার হুশ ফিরল মার কথায় .
মা - তপন, (আমার নাম) এটা তর এক ফুপুর মেয়ে. আজ থেকে আমাদের বাসায় থাকবে. তুই তো ঢাকা ভার্সিটি তে চানকে পেয়েছিলি. শিবলীও পরিখ্হা দিবে. তুই ওকে দেখিয়ে দিস পড়াশোনা.
এবার মা শিউলি র দিকেএ ফিরে বলে -মা, এটা হচ্ছে আমার একমাত্র ছেলে. তপন.
আমি শিউলি র দিলে তাকিয়ে বললাম- ভালো আছেন আপনি?
ও বলল- হ্যা, আমি ভালো আছি. থেন্ক ইউ.
তারপর আমি রুম এ ঢুকলাম.....(চলবে)